Ticker

6/recent/ticker-posts

Ads

অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে

টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে:

আপনি কি একজন ছাত্র? নাকি চাকরিজীবি? এই পোষ্টটি তাহলে আপনার জন্যই। আপনি যদি আমাদেরকে ফলো করেন, তাহলে আপনি পড়ালেখার বা চাকরির পাশাপাশি অনলাইন হতে বাড়তি ইনকাম করতে পারেন। আসলে বর্তমানে অনলাইনে আয় এর জন্য বিভিন্ন মাধ্যম রয়েছে।

সবগুলোর মধ্য থেকে আমি আজকে আপনাদেরকে দেখাব, কিভাবে সবচেয়ে সহজে আপনি অনলাইন হতে টাকা ইনকাম করতে পারেন। (অনলাইনে আয় করার সহজ উপায়)

আমার আজকের এই পোস্টটি শুধুমাত্র তাদের জন্য যারা নিজের পেশার পাশাপাশি অনলাইন ইনকাম করতে আগ্রহী। বিশেষ করে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য এবং যারা ছোট– চাকরি করেন।

আমার আজকের এই আর্টিকেলটি উৎসর্গ করলাম তাদের যারা পড়াশুনা বা চাকরির পাশাপাশি অবসর সময়কে কাজে লাগিয়ে পড়ালেখার পাশাপাশি অনলাইনে কাজ করে অথবা অন্যন্য কাজের পাশাপাশি টাকা ইনকাম করতে চান, কিন্তু মাধ্যম খুঁজে পান না।

তো বন্ধুরা আপনি অনলাইনে আয় করতে চান বা না চান, আশা করি এই তথ্যগুলি আপনার জানা প্রয়োজন। এই আর্টিকেল এর প্রত্যেকটি প্যারাগ্রাফই গুরুত্বপূর্ণ, তাই কোন অংশ বাদ না দিয়ে সম্পূর্ণ পড়ার অনুরোধ রইল।

সূচিপত্রঃ

  • আসলে কি অনলাইন ইনকাম সম্ভব
  • অনলাইনে আয় এর সবচেয়ে সহজ উপায়
  • 1. ব্লগিং এর মাধ্যমে অনলাইন ইনকাম 
  • 2. ইউটিউব
  • 3. আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং
  • 4. ই-কমার্স
  • 5. আপওয়ার্ক
  • 6. ফ্রিল্যান্সার
  • 7. আর্টিকেল রাইটিং
  • 8. ওয়েব ডিজাইন
  • 9. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
  • 10. অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ
  • 11. ইমেইল মার্কেটিং
  • 12. এস ই ও 
  • প্রতিদিন কতটুকু সময় কাজ করতে হয়?

আসলে কি অনলাইন ইনকাম সম্ভব?

অনেকে ভাবেন যে, অনলাইনে কি ইনকাম করা যায়? যারা এখনো এই প্রশ্নের মধ্যে আছেন আমি তাদেরকে বলছি, আপনারা বর্তমান সময়ের সাথে মিলিয়ে চলতে পারেন নি। কেননা বর্তমান সময়ে যে বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে বিভিন্ন কাজ করে, রোজগার করা যায় সেটা আর কারও অজানা নয়। যাই হোক কথা না বাড়িয়ে চলে যাচ্ছি আসল কথায়।

আপনি যদি একজন ছাত্র বা একজন ব্যবসায়ী অথবা একজন চাকরিজীবীও হন। আপনার পড়ালেখা, ব্যবসা বা চাকরির পাশাপাশি কিছু সময় করে প্রতিদিন অনলাইন থেকে আয় করতে পারেন।

যে পন্থা গুলো অবলম্বন করে আপনি খুব সহজেই এবং অল্প সময়ের মধ্যে অনলাইন হতে ইনকাম শুরু করতে পারবেন, আমি শুধুমাত্র সেই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবো। কেননা বর্তমানে অনলাইন থেকে আয় করার জন্য হিউজ পরিমাণ এ কাজ রয়েছে।

বন্ধুরা, যে কাজটি করলে খুবই সহজে টাকা ইনকাম করা যায়, আমি শুধুমাত্র সেই গুলো নিয়ে আলোচনা করব।

অনলাইনে টাকা ইনকাম করার সহজ উপায়:

টাকা+ইনকাম+করার+সহজ+উপায়+বাংলাদেশে

অনলাইনে আয় এর সবচেয়ে সহজ উপায়ঃ

অনলাইন থেকে কিভাবে আয় করা যায়? অনলাইন ইনকামের মাধ্যম গুলির মধ্যে যতগুলো বিষয় নিচে যুক্ত করেছি, এই সবগুলো থেকে আপনি আয় করতে পারবেন। নিচের যে কয়টা অপশন আমি দিয়েছি সবগুলোতেই আমি চেষ্টা করেছি, কিন্তু আমি প্রথম যে অপশনটা রয়েছে ব্লগিং বর্তমানে আমি একজন প্রফেশনাল ব্লগার হিসেবে নিয়োজিত আছি।

১। ব্লগিং (Blogging) করে আয়:

ব্লগিং অনলাইন আয়ের খুব পুরাতন, কিন্তু অনেক কার্যকরি একটা পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে বেশ ভালো অঙ্কের টাকা প্রতি মাসেই ইনকাম করা সম্ভব।

মূলত একটি ডিজিটাল নিউজ পেপারের মতো। আপনি আপনার মন মতো কোনো বিষয় নিয়ে লিখবেন। যার ওই বিষয়টি জানার দরকার, সে এসে পড়ে যাবে।

আপনি এখন যে লেখাটি পড়ছেন, এটিও একটি ব্লগ। অতএব, বুঝতেই পারছেন বিষয়টা। লেখালেখি যদি আপনার আগ্রহ থাকে, তাহলে আপনি খুব সহজেই এখান থেকে ভালো পরিমাণে টাকা ইনকাম করতে পারেন।

আপনার যে বিষয়ে আগ্রহ, জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা বেশিই, সে বিষয়ে ব্লগিং করলে তা সবথেকেই বেশি কাজে দেয়।

তাই, আপনি যে বিষয়ে পারদর্শী, সেই নিশেই (niche) কাজ করতে পারেন। নিশ বলতে মূলত নির্দিষ্ট কিছু বিভাগকে বোঝায়। যেমন: হেলথ, খেলাধুলা, টেকনোলজি, আইন, রান্না, জীবনী, ভ্রমণ ইত্যাদি। উদাহরণ স্বরূপ ভ্রমণের ক্ষেত্রে আপনি কোনো এক জায়গায় ভ্রমণে গিয়ে কি কি অভিজ্ঞতা হয়েছিলো, সেটি নিয়ে একটি বিস্তারিত ব্লগ লিখে ফেলতে পারেন।

এখন মূল বিষয় হলো আপনি কোথায় লেখা লিখি করবেন। এক্ষেত্রে সব থেকে ভালো হয় আপনি যদি একটি ব্লগ সাইট নিজেই বানিয়ে নিতে পারেন। এখন অনেক সহজেই খরচ ছাড়াই ব্লগ সাইট বানানো যায়। তবে ফ্রি সাইটগুলো কে মানুষ একটি কমই বিশ্বাস করে।

তাই, আমাদের পরামর্শ থাকবে, প্রথমেই কিছু টাকা খরচ করে ডোমেন কিনে হোস্টিং ঠিক করে আকর্ষণীয় একটি সাইট তৈরি করুন। এরপর ওখানে লেখালেখি শুরু করুন। দেখবেন বেশ ভালো ফল পাচ্ছেন।

একটি ডোমেন, হোস্টিং এবং থিম। এই তিনটা জিনিসই আপনার ব্লগিং শুরু করার জন্য যথেষ্ট। এক্ষেত্রে আপনার ৩ হাজার টাকা মতো খরচ হতে পারে।

এইভাবে খরচ করে ব্লগিং করলে আপনার ব্র্যান্ডিং টাও ভালো হবে এবং ইনকাম এর পরিমাণও অনেক বেশি হবে ফ্রি সাইটের তুলনায়। ভবিষ্যতে আপনার সাইট এর দামও অনেক হবে। ক্ষেত্র বিশেষে একটি ভালো সাইটের মূল্য কয়েক লক্ষ্য টাকা পর্যন্ত হয়ে যায়।

আর ফ্রি সাইটগুলোর ক্ষেত্রে আপনাকে পুরো ডোমেইন দিবে না গুগোল। আপনি সেক্ষেত্রে পাবেন সাব ডোমেইন। এভাবে ব্লগ সাইট খোলার ক্ষেত্রে আপনি খুব সহজে ব্লগস্পট দিয়ে ১০ মিনিটেই একটি ব্লগসাইট খুলতে পারেন।

আপনি মোবাইল এবং কম্পিউটার উভয় মাধ্যমেই কাজ করতে পারেন। তাই, যারা মোবাইলে অনলাইন ইনকামের কথা ভাবছেন, তাদের জন্যও এটি একটি সেরা সুযোগ হতেই পারে।

তবে এতো কিছুর পাশাপাশি আপনার যদি ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর কিছুটা ধারণা থাকে, তাহলে কিন্তু আপনি খুব সহজেই আপনার সেই ব্লগে প্রচুর পরিমাণে ট্রাফিক বা ভিজিটর আনতে পারবেন। যার মাধ্যমে আপনি কিন্তু আপনার ইনকামের পরিমাণ বহুগুণে বাড়িয়ে ফেলতে পারবেন খুব সহজেই।

2. ইউটিউব

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশে হতে অনেক ছেলেমেয়েরা ইউটিউব থেকে প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছে। এতে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই যে আপনি যদি লেগে থাকে ইউটিউবিং করেন, তাহলে আপনি ইউটিউব থেকে অবশ্যই সফল হতে পারবেন।

অন্যান্য মার্কেটপ্লেস এর তুলনায় ইউটিউব থেকে ইনকাম করা খুবই সহজ। তবে বর্তমানে ইউটিউব এর আপডেট আনার পর অ্যাডসেন্স মনিটাইজ পেতে বা গুগল এডসেন্সের এড শো করতে আপনাকে অনেক সময় ব্যয় করতে হবে। 

কেননা ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে হলে youtube এর কিছু নীতিমালা আছে। সেই নীতিমালা আপনাকে অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে। (টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে)

আপনি যদি ব্লগিং করেন, তাহলে সেক্ষেত্রে আপনার কোনো ধরাবাধা নিয়ম থাকবে না। আপনার ব্লগে যদি 5–10 জন ভিজিটর থাকে, তারপরও গুগল এডসেন্স এর এড আপনার ওয়েবসাইটে দেখাবে।

কিন্তু ইউটিউব এর বেলায় আপনাকে অবশ্যই ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে এবং ৪ হাজার ঘন্টা ওয়াচ টাইম থাকতে হবে।

3. আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং

যারা অনলাইনে বিভিন্ন প্রয়োজনে বিভিন্ন সময় গুগলে সার্চ করে থাকেন “কিভাবে অনলাইন হতে আয় করা যায়” এমন বিষয় লিখে। তারা অবশ্যই জানেন এফিলিয়েট মার্কেটিং একটি অনলাইন হতে আয় করার অন্যতম একটি মাধ্যম।

আপনি যদি এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অনলাইন থেকে আয় করতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই একটি ওয়েবসাইটের মালিক হতে হবে। আপনার মালিকানাধীন সেই ওয়েবসাইটে আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং এর যেকোনো একটি পণ্য বা প্রোডাক্ট বিক্রি করতে হবে।

বিক্রয় করার পর আপনাকে সেই আমাজন এফিলিয়েট কোম্পানি থেকে কিছু কমিশন দেয়া হবে। আপনি যদি আমার আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে কাজ করতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনি আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং এর যে আমাদের লিংকটি রয়েছে সেখান থেকে কোন অঙ্গটি দেখে নিতে পারেন।

4. ই-কমার্স

বর্তমানে ইন্টারনেট যুগে অনলাইন থেকে আয় করার একটি অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে ই-কমার্স

ই-কমার্স বলতে আমরা স্বাভাবিক ভাবে বুঝিয়েছি অনলাইন থেকে কেনাকাটা করা।আপনি যদি অনলাইন থেকে কেনাকাটা করেন, তখন অবশ্যই সেটি যেকোন একটি ওয়েবসাইট থেকে কিনতে হয় এবং সে ওয়েবসাইট অনার (Owner) আপনাকে আপনার প্রোডাক্ট পৌঁছে দেয়। (টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে)


সেরকম ভাবে আপনি যদি একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট বা একটি ই-কমার্স ব্যবসার মালিক হতে চান। তাহলে অবশ্যই আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকতে হবে এবং আপনি যে সমস্ত পণ্যগুলো বিক্রি করবেন সে সমস্ত পণ্য গুলো আপনাকে নিজ দায়িত্বে কাস্টমারের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

কাস্টমাররা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনাকে কোন প্রোডাক্ট অর্ডার করবে, সে অনুযায়ী আপনাকে কাজ করতে হবে। এজন্য আপনাকে কাস্টমার এর কাছ থেকে বিশ্বস্ততা অর্জন করতে হবে। ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য আপনি, ডিজিটাল প্রোডাক্ট ইউজ করতে পারেন।

5. আপওয়ার্ক

এখন আসছে আপনি কাজ করবেন কিন্তু ইনভেস্ট করবেন না, তাহলে আপনার জন্য মার্কেটপ্লেস। বর্তমান অনলাইনে প্রচুর পরিমাণে মার্কেটপ্লেস রয়েছে, যেখানে আপনি কাজ করে আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারেন। কিন্তু আমি সবগুলো নিয়ে আলোচনা করব না। আমি জনপ্রিয় দুটি মার্কেটপ্লেস নিয়ে আলোচনা করব সেটি হচ্ছে আপওয়ার্ক এবং ফ্রিল্যান্সার।

আপনি যদি আপওয়ার্কে কাজ করতে চান, তাহলে অবশ্যই আপনাকে যেকোনো একটি বিষয় হতে হবে। যেমনঃ

  • আর্টিকেল রাইটিং
  • ওয়েব ডিজাইন
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
  • অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ
  • ইমেইল মার্কেটিং
  • এস ই ও

এই গুলো বিষয়ে কাজ করতে পারেন। এজন্য আপনাকে অবশ্যই যে কোন একটি বিষয়ে অনেক পারদর্শী হতে হবে। বিভিন্ন দেশের লোকের সাথে কমিউনিকেশন এর জন্য যোগাযোগের জন্য ভালো ইংরেজি জানতে হবে।

6. ফ্রিল্যান্সার

অতঃপর আসছি ফ্রিল্যান্সার।ফ্রিল্যান্সার ইন্টারনেট ভিত্তিক একটি আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান। এখানে বিভিন্ন লোক ফ্রিল্যান্সার হায়ার করে/ভাড়া করে তাদের নিজের কাজ করিয়ে নেয়। ফ্রিল্যান্স, আপওয়ার্ক এর মতই একটি আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেস।

আপনি অনলাইনে আয় বিস্তারিত জানতে চাইলে অথবা অনলাইনে আয় করতে চাইলে আমাদের এই ওয়েবসাইটের অনলাইনে আয় অপশনটিতে ক্লিক করে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে পারেন।

7. আর্টিকেল রাইটিং

ছাত্র ছাত্রীদের জন্য অনলাইনে ইনকাম করার আরও একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হলো আর্টিকেল রাইটিং। আপনি যদি একজন ভালো আর্টিকেল রাইটার হন, তাহলে আপনি খুব সহজেই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে লিখে প্রতিদিন আয় করতে পারবেন। বর্তমান মার্কেটপ্লেসগুলোতে ইংলিশ আর্টিকেল রাইটারদের অনেক বেশি চাহিদা।

কিন্তু বর্তমানে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলা ভাষাভাষী আর্টিকেল রাইটারদের চাহিদা অনেক বেশি। কিন্তু এর জন্য আপনাকে অবশ্যই ভালো মানের রাইটার হতে হবে।

বর্তমানে বাংলাদেশে অনেকগুলো ওয়েবসাইট রয়েছে, যারা প্রতিটি আর্টিকেলের জন্য পেমেন্ট করে থাকে।

8. ওয়েব ডিজাইন

বর্তমানে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে এবং অনলাইন থেকে আয় করার আরও একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ওয়েব ডিজাইন। ওয়েব ডিজাইন করে অনলাইন থেকে আয় করতে হলে অবশ্যই ওয়েব ডিজাইন সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। 

নিত্য নতুন ডিজাইন তৈরি করতে হবে। এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে বিষয়টি সেটি হল বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ গুলো আপনাকে শিখে নিতে হবে। যেমন, এইচটিএমএল, সিএসএস, জাভাস্ক্রিপ্ট, পিএইচপি, পাইথন ইত্যাদি।

এবং এগুলোর জন্য বর্তমানে অনেক ভিডিও এবং টিউটরিয়াল রয়েছে। যে কেউ চাইলেই বিভিন্ন অনলাইনের চ্যানেলগুলো ঘাটাঘাটি করে ফ্রিতে ওয়েব ডিজাইন শিখতে পারে। বর্তমানে একজন ওয়েব ডিজাইনার এর মূল্য অনেক বেশি। একজন ভালো মানের ওয়েব ডিজাইনার বর্তমানে প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা উপার্জন করছে অনলাইন থেকে।

9. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

ওয়েব ডিজাইন এর পাশাপাশি web-development তো অনেক চাহিদা সম্পন্ন একটি পেশা। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট মূলত ওয়েবসাইট এর পিছনের অংশে কাজ করতে হয়। অর্থাৎ বিভিন্ন ফাংশন দ্বারা কীভাবে একটি ওয়েবসাইট পরিচালিত হবে তা নির্ধারন করা হয়।

এর জন্য প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়াও কোন ওয়েবসাইটের কোন ক্রিটিক্যাল সমস্যা হলে একজন ওয়েব ডেভলপার সেটাকে সংশোধন করে থাকে।

বর্তমানে ইউটিউব এবং বিভিন্ন ব্লগে প্রচুর পরিমাণে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর ফ্রি এবং পেইড কোর্স রয়েছে। যে কেউ চাইলেই সে কোর্সগুলো সংগ্রহ করে ঘরে বসেই ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে পারে।

তবে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে হলে অবশ্যই ধৈর্য্য এবং সময় ব্যয় করার মন মানসিকতা থাকতে হবে।

10. অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ

বর্তমানে অনলাইনে ইনকামের জনপ্রিয় মাধ্যম গুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট। অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারের গ্রাহক বাড়ার সাথে সাথে অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট এর চাহিদাও বিপুল হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। 
বর্তমানে অনলাইনে বা প্লে-স্টোরে প্রবেশ করলে দেখা যায় কত ধরণের  অ্যাপ দেখা যাচ্ছে।  প্রত্যেকটি কোন না কোন ব্যাক্তি ডেভেলপ করেছে। বর্তমানে বেশ কিছু ওয়েবসাইট বা সফটওয়্যার রয়েছে যেগুলো ব্যবহার করে কোডিং করা ছাড়াই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস ডেভলপ করা সম্ভব।

11. ইমেইল মার্কেটিং

ঘরে বসে অনলাইনে আয় করার আরও একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হলো ই-মেইল মার্কেটিং। ই-মেইল মার্কেটিং করে ঘরে বসে লক্ষাধিক টাকা প্রতি মাসে ইনকাম করা সম্ভব। বর্তমানে অনেকেই ই-মেইল মার্কেটিং করে ঘরে বসে বিভিন্নভাবে প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে।

12. এস ই ও

আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে। এবং সেখান থেকে ইনকাম করতে চান। অথবা আপনার ওয়েবসাইট সম্পর্কে মানুষকে জানাতে চান। তাহলে আপনার ওয়েবসাইটটি মার্কেটিং করার জন্য বা লোকজনের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য এসইও করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।

SEO হলো- সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন; অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইটটি যাতে কোন সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করলে পাওয়া যায়।

মনে করুন আপনার একটি সফটওয়্যার বিষয়ে ওয়েবসাইট রয়েছে, যদি কেউ “best graphic software” লিখে সার্চ করে তাহলে আপনার ওয়েবসাইটটি আসবে। সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ওয়েবসাইটটি আসার জন্য আপনাকে কিছু কাজ করতে হবে সেটাকেই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) বলা হয় ।

এছাড়াও বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসগুলোতে তাদের ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিনে করানোর জন্য বিভিন্ন এসইও এক্সপার্টদের হায়ার করে থাকে।

আপনি যদি এস.ই.ও. এর কাছে শিখেন, তাহলে এর চাহিদা অনেক বেশি। একজন এসইও এক্সপার্ট প্রতিমাসে লক্ষাধিক টাকা অনায়াসে ইনকাম করতে পারে। (টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে)

প্রতিদিন কতটুকু সময় কাজ করতে হয়?

আপনি যদি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে চান, তাহলে যদি আপনি বলেন প্রতিদিন কতটুকু সময় দিতে হয় সেটা আপনার জন্য মাইনাস পয়েন্ট। কেননা আপনি কাজ করার প্রথমে আপনি সময় নিয়ে ভাবছেন। 

আমি প্রথম যখন অনলাইনে কাজ শুরু করি এবং ব্লগিং স্টার্ট করি, তখন প্রথমত আমি প্রতিদিন 4 থেকে 6 ঘন্টা সময় দিতাম। তখন যে পরিমাণে আয় হতো বর্তমানের সপ্তাহে 10–12 ঘন্টা সময় দেই। আমার আয় এর সংখ্যাটা পূর্বের থেকে তিনগুন। এখন ভেবে দেখুন আপনার কতটুকু সময় লাগবে বা কতটুকু সময় নিয়ে আপনি কাজ করতে পারবেন।

বলতে গেলে এখানে ধরাবাঁধা কোনো সময় নেই। আপনি যেরকম সময় দিবেন, যে রকম রিসার্স করবেন, যে রকম ঘাঁটাঘাটি করবেন, সে অনুযায়ী ফলাফল পাবেন। আপনি কাজ করুন, আমি আপনার সাথে আছি।

প্রয়োজন হলে নিচের কমেন্ট বক্স এ কমেন্ট করতে পারেন। অথবা আপনার কোন অভিযোগ বা পরামর্শ থাকলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন।

Tags: অনলাইন আয়, অনলাইনে আয়, অনলাইন ইনকাম, অনলাইন ইনকাম ২০২১, টাকা ইনকাম করার সহজ উপায় বাংলাদেশে, ঘরে বসে আয় করার সহজ উপায়, Online income, online income korar upay, the easy way to earn money at online from home,

Post a Comment

0 Comments