Ticker

6/recent/ticker-posts

Adsterra

ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায় [How To Make Money on Facebook]

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হলো ফেসবুক (Facebook)। আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, ইউটিউব থেকে চ্যানেল বানিয়ে সেখান থেকে  সহজেই আয় করা যায়। তাহলে প্রশ্নটা এখানেই ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়?

facebook-a-kivabe-taka-ay-kora-jaay
হ্যাঁ, বর্তমানে ফেসবুক থেকে আয় করা সম্ভব। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এখন ফেসবুক থেকে আয় করার সুযোগ চালু করে দিয়েছে। আপনি চাইলেই ফেসবুক থেকে এখন আয় করতে পারেন। আমাদের আর্টিকেলে আজকে আলোচনা করবো, ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায় (how to make money on facebook)

আমরা প্রায় সকলেই বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে থাকি। আমাদের মধ্যে কেউ ইউটিউব ভিডিও দেখছেন, কেউ আবার ফেসবুকে নিউজ পড়ছেন, কেউ ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন। আমরা প্রায় সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া কোন না কোন ভাবে ব্যবহার করছি বা করি। 

বর্তমান যুগে বাচ্চা থেকে শুরু করে যুবক-যুবতী, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা সবাই কম-বেশিই সোশ্যাল মিডিয়ার সাথে যুক্ত। আর এত লোক যখন ফেসবুকের সাথে যুক্ত তখন ফেসবুক কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ছিল, ফেসবুক থেকে আয়ের ব্যবস্থা করে দেওয়া। 

অবশেষে, ফেসবুক কর্তৃপক্ষ ফেসবুক থেকে আয় এর বিভিন্ন উপায় করে দিয়েছে। তাহলে আসুন জেনে নেয়া যাক, ফেসবুক থেকে টাকা আয় করার সহজ উপায় গুলোঃ

Topic

★ ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়
১. কিভাবে ফেসবুক পেজ থেকে টাকা আয় করা যায়
২. ফেসবুক মার্কেটপ্লেস থেকে টাকা আয়
৩. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে  আয়
৪. ফেসবুক এডস এর মাধ্যমে আয় 
৫. ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করে টাকা আয় 
৬. ফেসবুক গ্রুপ থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়
৭. ফেসবুকে গেম খেলে টাকা আয়
৮. ফেসবুকে পণ্য বিক্রি করে টাকা আয়
৯. ফেসবুকে টিউশনি খুঁজে টাকা আয়
১০। বিভিন্ন কোর্স চালু করে ফেসবুক থেকে টাকা আয়
১১. ফেসবুক মার্কেটিং ম্যানেজার হিসেবে
১২. ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা আয় করার উপায়

facebook-theke-taka-income-korar-upai

★ ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায়

ফেসবুক থেকে টাকা আয় করার অনেক উপায় রয়েছে। এখন আমি ধাপে ধাপে সে উপায় গুলো ব্যাখ্যা করবো এবং আপনাকে একটি পরিপূর্ণ গাইডলাইন দিব, যাতে আপনিও ফেসবুক থেকে টাকা আয় করতে পারেন সহজেই।

১। কিভাবে ফেসবুক পেজ থেকে টাকা আয় করা যায়

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বর্তমানে ফেসবুক পেজ থেকে টাকা আয় করার ব্যবস্থা করে দিয়েছে। আপনি চাইলে এখন আপনার ফেসবুক পেজ থেকে আয় করতে পারবেন। আপনি এটার মাধ্যমে ফেসবুক থেকে long time earn করতে পারবেন। আপনাকে এর জন্যই প্রথমে একটি ফেসবুক পেজ খুলতে হবে। 

আপনার মনে প্রশ্ন আসতেই পারে ফেসবুক পেজ কিভাবে খুলবো? পেজ খোলার কিছু স্পেসিফিক গাইডলাইন আছে ,যা আপনাকে অবশ্যই মানতে হবে। তাই, ফেসবুক পেজ খোলার নিয়ম এখনই জেনে নিন।

আপনি এবার সেই পেজে কনটেন্ট ভিডিও ইমেজ যে কোন বিষয়ের উপর রেগুলার পোস্ট করে যেতেই হবে। আপনি এবার আপনার করা পোস্ট গুলো আপনার বন্ধু-বান্ধব, পরিবারের লোক আত্মীয়-স্বজন সবার কাছে শেয়ার করতে থাকুন। 

আস্তে আস্তে যখন আপনার পেজের লাইক এবং ফলোয়ারের সংখ্যা বাড়বে তখন আপনি আপনার পেজে আফিলিয়েট মার্কেটিং করে সহজেই আয় করতে পারবেন। 

তাছাড়াও আপনি আপনার ফেসবুক পেজে যে কনটেন্ট আপনি নিয়মিত ডেলিভারি করছেন, সেই কনটেন্ট রিলেটেড অনেক কোম্পানি থাকবে, আপনি সেখান থেকে চাইলে স্পনসরর্শিপ নিয়ে তাদের প্রোডাক্টকে প্রমোট করতে পারেন। 

তাই, আপনার পেজে কন্টেন্ট দেয়ার আগেই একটি পরিপূর্ণ প্ল্যান করে নিবেন যেন, আপনি সবসময় একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে নিয়মিত কন্টেন্ট দিতে পারেন।

তাছাড়া আপনি চাইলে এখান থেকে ভিডিও মনিটাইজেশন এর মাধ্যমে সহজেই আয় করতে পারবেন। আপনার ফেসবুক পেজে যদি ৩০ হাজারের বেশিই ফলোয়ার হয়ে যায়, তাহলে আপনি আপনার ফেসবুক পেজের ভিডিও গুলো মনিটাইজ এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। 

আপনি এর মাধ্যমে ফেসবুক থেকে টাকা আয় করতে পারবেন। তাছাড়া আপনার যদি একাধিক ফেসবুক পেজ থাকে এবং সে পেজগুলোতে যদি বেশি ফলোয়ার থাকে, তাহলে আপনি সেই পেজ গুলো বিক্রি করে সহজে টাকা আয় করতে পারবেন। 

আরও পড়ুনঃ অনলাইনে টাকা ইনকাম করার ২০ টি উপায় 

২। ফেসবুক মার্কেটপ্লেস থেকে টাকা আয়

আসলে এটি একটি সার্ভিস যেটির মাধ্যমে আপনি নিজের বা অন্য কারও নতুন-পুরাতন প্রোডাক্ট বিক্রি করে আয় করতে পারেন। 

আপনি প্লে-স্টোর এর মাধ্যমে অনেকগুলো রিসেলিং অ্যাপ পেয়ে যাবেন। যেমন- Glowroad, Shop101, Messho.আপনি এই সমস্ত অ্যাপ গুলো আগে ইন্সটল করে নিন। এরপর এখানে রেজিস্ট্রেশন করার পর ব্যাংক ডিটেইলস সহ সবকিছু দিয়ে সাবমিট করে নিন। 

আপনি এই অ্যাপ গুলোতে বিভিন্ন কোম্পানির বিভিন্ন ধরণের প্রোডাক্ট পেয়ে যাবেন। আপনি সেই প্রোডাক্ট এর ছবিগুলো ডাউনলোড করে নিয়ে ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে সেই ছবি গুলোকে লিস্ট করে দিন এবং সেখানে নিজের প্রাইস বেঁধে দিন। 

ধরুণ আপনি ওই অ্যাপ থেকে একটি টি-শার্ট কিনলেন ১৫০ টাকা দিয়ে আপনি এবার আপনার প্রাইস করলেন ২৫০ টাকা। এই প্রোডাক্টটি বিক্রি করতে পারলে আপনার কিন্তু ঠিকই ১০০ টাকা লাভ হয়ে যাবে।

এভাবেই আপনি অনেকগুলো ফটো আপনার ফেসবুক মার্কেটপ্লেসে লিস্ট করে রাখতে পারেন। এবার যখন কোনও ব্যক্তি আপনাকে ওই প্রোডাক্ট কেনার জন্য মেসেজ করবে, তখন আপনি তার এড্রেস টা সেই অ্যাপসে আর সেখানে আপনার প্রাইস সেট করে দিন। এজন্য আপনি ফেসবুক শপ ডিজাইন কিভাবে করবেন তা জেনে নিন।

তারপর আপনি যে এড্রেসটি দিয়েছেন কোম্পানি সেই অ্যাড্রেসে প্রোডাক্ট ডেলিভারি করে দিবে আপনার নামে। আর প্রডাক্টিভ বিক্রি হওয়ার পর কিছু কমিশন চলে যাবে, আপনার ব্যাংক একাউন্টে। তো এভাবে আপনি  ফেসবুক মার্কেট প্লেসে প্রোডাক্ট বিক্রি করে আয় করতে পারবেন। 

৩। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয়

আপনি চাইলে আপনি আপনার ফেসবুক পেজ বা গ্রুপে এফিলিয়েট মার্কেটিং (affiliate marketing) করে আয় করতে পারেন। 

আপনি যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি? না জানেন, তাহলে আমি বলে দিচ্ছি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হলো কোন কোম্পানি বা কোন প্রতিষ্ঠানের প্রোডাক্ট বিক্রি করে দেওয়া। তাদের প্রোডাক্ট আপনি বিক্রি করে দিলেন তারা এই প্রোডাক্ট বেচার জন্য আপনাকে কিছু কমিশন দিবে আর এটাকেই বলা হয়ে থাকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য অনেক বড় বড় ওয়েবসাইট রয়েছে, আপনি চাইলে এই ওয়েবসাইটগুলোর অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম এ যোগদান করতে পারেন। 

আমাজন, আলিবাবা, ফ্লিপকার্ট আপনি এই ওয়েবসাইট গুলোতে অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে যোগদানের মাধ্যমে চাইলে আয় করতে পারেন। আর আপনার পেজের কন্টেন্ট যদি টেক রিলেটেড হয়, তাহলে তো কোন কথাই নেই, আপনার ফেসবুক পেজ থেকে ভালো পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন।

আরও পড়ুনঃ 

• অনলাইন ইনকাম অ্যাপ ২০২২

• মোবাইল দিয়ে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট ২০২২

৪। ফেসবুক এডস এর মাধ্যমে আয় 

আপনি যদি ফেসবুকে কিছু টাকা ইনভেস্ট করতে পারেন, তাহলে ফেসবুক থেকে খুবই সহজে এবং দ্রুত ভাবে আয় করতে পারবেন ফেসবুক এড ব্যবহার করার মাধ্যমে। এই মাধ্যমটি আসলে ফ্রী না, তবে আপনি যদি একটু বুদ্ধি খাটিয়ে কাজ করতে পারেন, তাহলে আপনি এখানে যেই টাকা ইনভেস্ট করবেন তার চেয়ে বেশি টাকা আয় করতে পারবেন। 

ফেসবুক হলো বিশাল একটি ট্রাফিক সোর্স এবং এখানে সব সময় কোটি কোটি অ্যাক্টিভ ট্রাফিক থাকে। এবার ধরুণ আপনার কাছে হয়তো কোন প্রোডাক্ট আছে, সেটা অ্যামাজনের বা ফ্লিপকার্টের মোবাইল টি-শার্ট, গাড়ি বা কোন গ্যাজেট হতে পারে বা কোন রিসেলিং অ্যাপের হতে পারে।

আর এই সমস্ত কোম্পানির প্রোডাক্টের এফিলিয়েট লিংক আপনি যদি আপনার ফেসবুক পেজ বা গ্রুপে শেয়ার করতে পারেন এবং দেখা গেল আপনার প্রোডাক্টের প্রতি অল্প দুই–এক জন লোক ইন্টারেস্ট হলো এবং কয়েকটা প্রোডাক্ট সেল হলো। 

আপনি যদি আপনার ওই প্রোডাক্ট ফেসবুক অ্যাড ব্যবহার করে লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারেন, তাহলে হয়তো এখানে অনেক প্রডাক্ট বিক্রি হওয়ার আশা থেকে যায়। তাহলে এক্ষেত্রে আপনার আয়ের পরিমাণটা ও কয়েক গুণ বেড়ে যাবে অনেকাংশে। 

তাহলে আপনি এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন, ফেসবুকে এড ঠিকভাবে যদি রান করা যায় এবং সেটা বুদ্ধি করে যদি করা যায়, তাহলে আপনি যা ইনভেস্ট করবেন তার তিন থেকে চার গুণ এর বেশি আপনি সেখান থেকে পাবেন।

৫। ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করে টাকা আয় 

আপনি কি কথাটা শুনে অবাক হয়ে গিয়েছেন?😮😮😮 না অবাক হওয়ার কিছু নাই এখানে। ইউটিউব এর মতো ফেসবুকেও এখন ভিডিও আপলোড করে টাকা আয় করা যাচ্ছে। 

আপনি আপনার ফেসবুক ভিডিও গুলোতে মনিটাইজ করে ইউটিউব এর মতো ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ইউটিউবে যেমন গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে ভিডিও মনিটাইজ করে টাকা আয় হয়। তেমনি ফেসবুকে এড চয়েজের মাধ্যমে কাজ করে টাকা আয় করা যায়।

ফেসবুক ভিডিও মনিটাইজ করতে হলে আপনার অব্যশই একটি ফেসবুক পেজ থাকা লাগবে। এরপর ইউটিউবে যেমন কোয়ালিফাই দিতে হয় মিনিটের জন্য তেমনি আপনাকে ফেসবুকে কোয়ালিফাই দিতে হবে মনিটাইজ এর জন্য। 

আপনার ফেসবুক পেজে ১০,০০০ লাইক এবং ২ মাসে আপনার ভিডিওতে ৩০,০০০ এক মিনিটের ভিউ চাই। এই শর্তগুলো পূরণ করা হয়ে গেলে আপনি ফেসবুকের কাছে মনিটাইজ এর জন্য এপ্লাই করতে পারবেন। 

আপনার পেজ অ্যাপ এপ্রুভ হয়ে গেলে আপনার ভিডিও গুলোতে অ্যাড আসা শুরু করবে এবং আপনার আয়ও শুরু হয়ে যাবে এর মাধ্যমে। 

৬। ফেসবুক গ্রুপ থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম করা যায়

ফেসবুক গ্রপ মার্কেটিং টা যদি আপনি ভালো ভাবে বুঝতে পারেন, তাহলে আপনি অনেক বেশি পরিমাণে টাকা আয় করতে পারবেন। মনে রাখবেন, ফেসবুক পেজ হলো ওয়ান ওয়ে কমিউনিকেশন। অর্থাৎ, এখানে শুধু আপনি কথা বলবেন আর আপনার অডিয়েন্স আপনার কথা শুনে যাবে, তাদের বলার আর কিছু থাকবে না। 

অন্যদিকে, ফেসবুক গ্রুপ হলো টু-ওয়ে কমিউনিকেশন, এটি একটি কমিউনিটি। অর্থাৎ, এখানে আপনিও কথা বলবেন আপনার অডিয়েন্সরাও কথা বলতে পারবে। আপনার গ্রুপে যদি ভালো কাজ করেন, তাহলে আপনার অডিয়েন্সরাই আপনার বিজনেসের মার্কেটিং করে দিবে। এটি ফেসবুকে মার্কেটিং করার একটি অথেনটিক উপায়ও বটে।

তাহলে বুজতেই পারছেন, আপনি যদি একটি ফেসবুক গ্রুপ তৈরী করতে পারেন, তাহলে আয় করার অসংখ্য উপায় নিজেই পেয়ে যাবেন। সেক্ষেত্রে, আপনাকে সমসময় আপনার গ্রুপে অডিয়েন্সদের বিভিন্ন একটিভিটির মাধ্যমে এনগেইজড রাখতে হবে।

৭। ফেসবুকে গেম খেলে টাকা আয়

বর্তমান সময়ে অনেকেই জানেন না যে, তারা ভিডিও গেম খেলে টাকা আয় করতে পারে।  ফেসবুকে গেম খেলে টাকা ইনকাম করা সম্ভব। কারণ ফেসবুক কর্তৃপক্ষ সমস্ত গেমারকে তাদের ভিডিও গেমগুলি ফেসবুকে স্ট্রিম করার প্রস্তাব দেয়। 

বিশ্বজুড়ে অনেক বিলিয়নিয়ার আছে, তারা তাদের ভিডিও গেম লাইভ স্ট্রিমিং করে, তাদের অর্থ উপার্জন করে। আমি মনে করি ফেসবুক থেকে অর্থ উপার্জন করা একটু সহজ। দিন দিন ফেসবুক লাইভ ভিডিও স্ট্রিম এফবি ইউজার শব্দে ভাইরাল।  

ব্যবহারকারী এটি করতে পারেন, স্বাধীনতা এর জন্য এটি খুব জনপ্রিয়। আপনি যদি নিয়মিত গেম খেলেন, তাহলে আপনি লাইভ ভিডিও স্ট্রিমিং শুরু করতে পারেন এবং ফেসবুক থেকে টাকা আয় করতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ গেম খেলে টাকা আয় বিকাশে পেমেন্ট 

৮। ফেসবুকে পণ্য বিক্রি

এই মিডিয়াতে, ব্যবহারকারী দক্ষতার সাথে তাদের পণ্য বাজারজাত করতে পারে এবং তা দ্রুত বিক্রি করতে পারে।  অনেক নন-ব্র্যান্ড কোম্পানি FB তে তাদের পণ্য বিক্রি করে। 

প্রথম জিনিস হল আপনি শুধু আপনার প্রোডাক্টের বিবরণ এবং মূল্য পৃষ্ঠা বা গ্রুপে আপলোড করুন, ক্রেতার সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন।  

এই সোশ্যাল মিডিয়া একটি নতুন উদ্যোক্তার জন্য নৈতিক নিয়ম পালন করছে, একটি নতুন ব্যবসা শুরু করার জন্য, ফেসবুক প্ল্যাটফর্ম আজকাল খুবই উপকারী।

৯। ফেসবুকে টিউশন খোঁজা

ফেসবুক বর্তমানে জনপ্রিয় একটি সামাজিক মাধ্যম। প্রায় সব কিছু আপনি ফেসবুকে পাবেন। এর ধারাবাহিকতায় ফেসবুকে টিউশন ভিত্তিক বিভিন্ন গ্রুপ রয়েছে। সেখানে প্রতিনিয়ত টিউশন এর অফার এসে থাকে। 

আপনি যদি টিউশনি করাতে পারেন, তাহলে আপনি সেইসব গ্রুপে জয়েন হয়ে আপনার দক্ষতা অনুযায়ী টিউশন পেতে পারেন। অর্থাৎ ফেসবুকের মাধ্যমে টিউশন করিয়ে আপনি ফেসবুক থেকে আয় করতে পারেন। আমার পরিচিত অনেকেই ফেসবুক থেকে টিউশনি পেয়েছে।

১০। বিভিন্ন কোর্স চালু করে ফেসবুক থেকে টাকা আয়

ফেসবুকে যখন আপনার একটি পেজ কিংবা গ্রুপ অনেক পপুলার হয়ে যায়, তখন আপনার অনেক ফলোয়ার থাকে। যারা আপনাকে বিশ্বাস করে। 

যদি আপনি তাদের ভালো কিছু দিতে পারেন তাহলে তারা তা গ্রহণ করবে। এখন আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং কিংবা ওয়েব অথবা অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদিতে খুব পারদর্শী। অথবা আপনি ভালো একজন শিক্ষক। 

তাহলে আপনি এই সব বিষয়ের উপরে বিভিন্ন কোর্স চালু করতে পারেন। যেহেতু আপনাকে তারা বিশ্বাস করে, তাই আপনার কোর্স এ তারা ভর্তি হবে। এছাড়া অন্যদেরও আপনার কথা বলবে। এভাবে আপনি কোর্স চালু করে যথেষ্ট পরিমাণ টাকা ফেসবুক থেকে আয় করতে পারেন।

১১। ফেসবুক মার্কেটিং ম্যানেজার হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা আয় করার উপায়

আমি আশা করছি, ফ্রিল্যান্সিং কি? সে সম্পর্কে আপনার পরিপূর্ণ ধারণা আছে। যদি না থাকে তাহলে ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শিখবেন তা আমাদের ব্লগ থেকে জেনে নিতে পারেন সহজেই। 

ফাইভার, আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার সহ বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে গেলে দেখতে পাবেন, ফেসবুক মার্কেটিং ম্যানেজার হিসেবে কাজ করার জন্য প্রচুর জব অফার আছে। আপনি যদি ফেসবুক মার্কেটিং ভালোভাবে শিখতে পারেন, তাহলে ফ্রিল্যান্সিং করে প্রচুর টাকা আয় করার সুযোগ আছে আপনার জন্য।

এজন্য আপনাকে ফেসবুকে এড কিভাবে রান করতে হয় তাও শিখতে হবে। আপনাকে তার ফেসবুক পেজ ম্যানেজমেন্ট করার জন্য হায়ার করবে। তাই ফেসবুক পেজ কিভাবে চালাতে হয় তা শিখে ফেলুন। এই কাজগুলো আপনি মোবাইল দিয়েই করতে পারেন।ছাত্রদের জন্য অনলাইনে আয় এবং মোবাইল দিয়ে টাকা ইনকামের জন্য ফেসবুক সবচেয়ে ভালো একটি মাধ্যম।

ফেসবুকে আয় করতে আপনাদের কিছু কমন প্রশ্ন ও উত্তর:

ইউটিউব এর ভিডিও কি ফেসবুকে আপলোড দেওয়া যাবে কি না?
এর উত্তর হচ্ছে না, আবার হ্যাঁ। বিষয়টি আপনাদের ভালোভাবে পরিষ্কার করি। ফেসবুক এখন পর্যন্ত ইউটিউবের ভিডিও ফেসবুকে আপলোড করতে দিচ্ছে। কিন্তু সেই ভিডিও এর আগে ফেসবুকে আপলোড থাকা যাবে না। 

অর্থাৎ ফেসবুকে একটি ভিডিও আপলোড হয়ে গেছে, আপনি ওই ভিডিও যদি আবার আপলোড দেন তাহলে কপিরাইট হবে। অন্য ভাবে যদি আপনি কারও ভিডিও ফেসবুকে আপলোড দেন এবং ভিডিও এর মালিক যদি আপনাকে কপিরাইট দেয়, তাহলেও আপনি কপিরাইট এর আওতাভুক্ত হবেন।

আরও পড়ুনঃ ইউটিউব থেকে আয় করার সহজ উপায় 

আমি কি মোবাইল এর মাধ্যমে ফেসবুক থেকে আয় করতে পারবো?
উত্তর হচ্ছে আপনি ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি কোন ডিভাইস দিয়ে ঢুকেন? অবশ্যই মোবাইল। অর্থাৎ মোবাইল দিয়েও আপনি ফেসবুকে আয় করতে পারবেন সহজেই।

আমি কিভাবে বুঝবো আমার ফেসবুক পেজ আপনার পেজ এডস ব্রেক এর জন্য উপযুক্ত?
আপনি ফেসবুক এড সেন্টারে যাওয়ার পর এপ্লাই করলে, ফেসবুক আপনার পেজ রিভিউ করবে। যদি আপনি এড ব্রেকের উপযুক্ত হন, তাহলে তারা আপনার ভিডিওগুলো রিভিউ করবে। যদি না হয় তাহলে আপনাকে বলে দিবে আপনার কি কি করতে হবে।

ফেসবুক এডস ব্রেক এর মাধ্যমে ফেসবুকে কি পরিমাণ টাকা ইনকাম সম্ভব?
ফেসবুক বিজ্ঞাপনের জন্য যে টাকা আয় করবে, তার 55% আপনাকে দিবে। সুতরাং, পরিমাণটা যথেষ্ট। ফেসবুক থেকে আপনি যথেষ্ট পরিমাণে টাকা আয় করতে পারেন।

আমাদের শেষ কথা 
ফেসবুকে কিভাবে টাকা আয় করা যায় এ সম্পর্কে আপনাদের পরিপূর্ণ ধারণা দিয়েছি। ফেসবুক থেকে টাকা আয় করার আরো অনেক মাধ্যম রয়েছে। তবে যে কয়টি মাধ্যম নিয়ে আমরা আজকে আলোচনা করলাম এই মাধ্যমগুলো হলো ফেসবুক থেকে টাকা আয়ের এর সবথেকে জনপ্রিয় কয়েকটি মাধ্যম। 

আপনারাও ফেসবুক থেকে টাকা আয় করতে পারবেন ইচ্ছা করলে। সেই জন্য আপনার মধ্যে থাকতে হবে প্রবল ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম করার মানসিকতা এবং হার না মানার প্রত্যয় তাহলে আপনি ফেসবুক থেকে আয় করতে পারেন।

Tagged: ফেসবুক, ফেসবুক ইনকাম, ফেসবুক থেকে টাকা, ফেসবুক থেকে টাকা আয়, ফেসবুক থেকে টাকা ইনকাম, facebook taka income,

Post a Comment

1 Comments

Don't Share Any Link